বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

অসদাচরণ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
পুলিশের লোগো। ফাইল ছবি।

অসদাচরণ ও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আদেশ দুটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এস এম মেহেদী হাসান ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তাকে স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং ই-মেইলে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

তদন্তে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। বিভাগীয় তদন্ত ও দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের পরও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) পরামর্শের ভিত্তিতে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। তার বরখাস্তের আদেশ ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে, মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এ কর্মরত থাকার সময় ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের কাছ থেকে দুই মাসের বিশ্রামের পরামর্শ পান। তবে বিশ্রাম শেষে ১১ এপ্রিল কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি আর কাজে যোগ দেননি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তার অবস্থান নিশ্চিত করা যায়নি।

বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশেরও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে সরকারি কর্মকমিশনের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীর বরখাস্তের আদেশ ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।