বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ২:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ

হাতীবান্ধায় বাক-প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

হাতীবান্ধায় বাক-প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আলোচিত বাক-প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ মামলায় শহিদুল ইসলাম নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে লালমনিরহাটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট আসামি শহিদুল ইসলাম তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় ভুক্তভোগী শিশুকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে বাড়ির একটি ফাঁকা স্থানে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

পরে শিশুটি বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়িতে ফিরে আসে। তার মা ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে শিশুটি ইশারার মাধ্যমে শহিদুল ইসলামের নাম জানায়। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা রশিদুল ইসলাম হাতীবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী শিশুটি একটি বাক-প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। মামলার আসামি শহিদুল ইসলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার নবিয়ার রহমানের ছেলে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ও আলোচিত। বাক-প্রতিবন্ধী শিশুটিকে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে ইশারার মাধ্যমে অভিযুক্তের পরিচয় জানায়। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন।