বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ

সুইডেনে নির্বাচনে জোটের পরাজয়, প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ক্রিস্টারসনের

সুইডেনে নির্বাচনে জোটের পরাজয়, প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ক্রিস্টারসনের
পরাজয়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। ছবি: সংগৃহীত

সুইডেনের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডানপন্থী জোট পরাজিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন উলফ ক্রিস্টারসন। অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছে মধ্য-বামপন্থী বিরোধী জোট সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে দুই জোটের ভোটের ব্যবধান প্রায় ৫০ হাজারে দাঁড়ায়। এর কয়েকদিন পর বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান ক্রিস্টারসন।

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার লক্ষ্যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিস্টারসনের নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোটের প্রধান দল মডারেট পার্টিকে বাইরে থেকে সমর্থন দিয়ে আসছিল অভিবাসনবিরোধী দল সুইডেন ডেমোক্র্যাটস (এসডি)। নির্বাচনে জোট জয়ী হলে এসডিকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন ক্রিস্টারসন।

তবে এবারের নির্বাচনে এসডির ভোটের হার কমেছে। ২০১০ সালে সুইডিশ সংসদে প্রবেশের পর এবারই প্রথম দলটির ভোটের হার কমার ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার দলটির সমর্থন প্রায় ৩ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।

অন্যদিকে নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস নেত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন এক বক্তব্যে বলেন, সুইডেনের জনগণ দেশের জন্য নতুন দিকনির্দেশনার পক্ষে রায় দিয়েছে। চার বছর বিরোধী দলে থাকার পর তিনি আবারও সরকার গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে লেফট পার্টি, সেন্টার পার্টি ও গ্রিন পার্টির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছেন অ্যান্ডারসন। তবে করনীতি ও অর্থনীতিসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে নতুন জোট সরকার গঠনে সময় লাগতে পারে।

সুইডেনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর রিক্সডাগের স্পিকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একজন প্রার্থীর নাম সংসদে প্রস্তাব করা হবে। সংসদে ভোটের মাধ্যমে ওই প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার পর পরবর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।