বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ

হুথি সংকট: সৌদিকে গোয়েন্দা সহায়তা দিতে ইসরায়েলের উদ্যোগ

হুথি সংকট: সৌদিকে গোয়েন্দা সহায়তা দিতে ইসরায়েলের উদ্যোগ
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

সৌদি আরবের সঙ্গে সম্প্রতি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর নিজেদের সামরিক সীমাবদ্ধতার কথা স্পষ্ট করেছে পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে হুথি সংকট মোকাবিলায় সৌদি আরবকে গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ফার্স্টপোস্ট।

দ্য জেরুজালেম পোস্টের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে গোয়েন্দা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের বৈঠকের পর এ আলোচনা শুরু হয়।

আলোচনার অন্যতম লক্ষ্য হলো, সৌদি আরবকে হুথি বাহিনীর সামরিক অবস্থান, মোতায়েন এবং সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে আগাম তথ্য দেওয়া। ইরান-সমর্থিত হুথিরা সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের সীমান্ত এলাকা এবং তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে বাব এল-মানদেব প্রণালি ও আশপাশের সমুদ্রপথে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তেল অবকাঠামো সুরক্ষায় সৌদি আরব যুক্তরাজ্যের কাছেও সহযোগিতা চেয়েছে বলে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সম্প্রতি ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’কে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এই চুক্তি অন্য কোনো দেশে আক্রমণের সুযোগ দেয় না। তার এ বক্তব্যের ফলে সৌদি আরবের নিরাপত্তায় পাকিস্তানের সম্ভাব্য সামরিক ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে এখনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে ইরান ও তার মিত্রদের নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সমন্বয়ের বিষয়টি ক্রমেই আলোচনায় আসছে।

তবে সৌদি আরবের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের শর্তসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয়ও দুই দেশের আলোচনায় প্রভাব ফেলছে।

সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট