বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসপি কার্যালয় ঘেরাও ছাত্রদলের

নিবন্ধনহীন মোটরসাইকেল আটক, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসপি কার্যালয় ঘেরাও ছাত্রদলের
চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসপির কার্যালয় ঘেরাও , ছবি : সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেল আটককে কেন্দ্র করে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এসপি কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা কর্মসূচি পালন করেন তারা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সোমবার বিকেলে শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় পুলিশের চেকপোস্টে আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেল থামানো হয়। পরে পুলিশ গাড়িটির কাগজপত্র যাচাই করলে বৈধ নিবন্ধন না থাকায় মোটরসাইকেলটি আটক করা হয়। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে আক্তারুজ্জামানের বাগবিতণ্ডা হয়।

ঘটনার পরপরই ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী এসপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। তারা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে ঘেরাও কর্মসূচি শুরু করেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় এক ঘণ্টা আলোচনা শেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

ছাত্রদল নেতা আক্তারুজ্জামান বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাকে থামায়। তিনি পুলিশকে কাগজপত্র দেখান। এ সময় আশপাশের লোকজনের কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝি হয়। কথোপকথনের একপর্যায়ে তার হাতে থাকা মোবাইল ফোনও পুলিশ চেয়ে নেয় বলে জানান তিনি।

আক্তারুজ্জামানের ভাষ্য, পরে ফোনটি ফেরত নেওয়ার জন্য তিনি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আসেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানোর পর পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেল টিএসআই ও সার্জেন্ট থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করেন। গাড়িটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এসপি কার্যালয়ে অবস্থান নেন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির সমাধান করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।