বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: নভেম্বর ৫, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ণ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটের বাইরে রাখার চিন্তাভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটের বাইরে রাখার চিন্তাভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটের বাইরে রাখার চিন্তাভাবনা করছে কমিশন। নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা প্রার্থী হলে তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ কথা বলেন।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণা ও এমপিওভুক্তদের ভোটে রাখাসহ ৯ দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। অরাজনৈতিক (নির্দলীয়) স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক পদধারীদের ভোটে অযোগ্য ঘোষণার দাবি নিয়ে ইসির কিছু বলার নেই বলেও মন্তব্য করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন ছাড়া অরাজনৈতিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। সে পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাও সংশোধন হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার উল্টো প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘অরাজনৈতিকভাবে নির্বাচন তো হতেই হবে। যেহেতু আইন রয়েছে। সেখানে কি এই বিষয়টা আমাদের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলার সুযোগ আছে? বলার সুযোগ তো নেই।’
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নির্বাচন কমিশন আইন সংশোধনের সুপারিশ রাখা হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা ভোটে অংশ নিলে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবেও থাকলে তাঁদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বলেই এটা করা হয়েছে।
এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজটা হচ্ছে একটা নিরপেক্ষ, সুন্দরভাবে, সুষ্ঠুভাবে, বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে নির্বাচন শেষ করা। যারা শিক্ষকরা সবার সম্মানিত ব্যক্তি। তারা যেনো বিতর্কিত না হন…এর মধ্যে কেউ ইলেকশনে দাঁড়ালেন, সহকর্মীরা তার পক্ষে কাজ করবেন, আবার তাদেরকেই প্রিসাইডিং, পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করতে হচ্ছে। তাহলে এখানে বির্তকের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।