বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ

সাঘাটায় বিদ্যুৎ বিলে অসংগতি

সাঘাটায় বিদ্যুৎ বিলে অসংগতি

স্টাফ রিপোর্টার:

গাইবান্ধার সাঘাটায় পল্লী বিদ্যুতের এক গ্রাহকের ব্যবহৃত ইউনিটের তুলনায় প্রায় ৫০ গুণ বেশি ইউনিট দেখিয়ে বিদ্যুৎ বিল করার অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক ও তার পরিবার।

ভুক্তভোগী গ্রাহক সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমান। তার পল্লী বিদ্যুতের হিসাব নম্বর ১০৬৫০২০৬৪১১৯৫।

সরেজমিনে মিটারটি পরিদর্শন করে দেখা যায়, পূর্ববর্তী জুলাই/২০২৬ ইং থেকে আগস্ট/২০২৬ ইং পর্যন্ত ব্যবহৃত ইউনিট ছিল ১০০ ইউনিট। অথচ আগস্ট/২০২৬ ইং চলতি মাসে ওই গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখানো হয়েছে ৩২১৫ ইউনিট। বিভিন্ন চার্জ যুক্ত করে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল দেখানো হয়েছে ৫৬ হাজার ৪৪৪ টাকা।

গ্রাহকের পরিবারের দাবি, তাদের বাড়িতে মাত্র ১টি বৈদ্যুতিক ফ্যান ও ১টি ৫ ওয়াটের এলইডি বাল্ব ব্যবহার করা হয়। এত কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরও ৩২১৫ ইউনিটের বিল আসায় তারা বিস্মিত ও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে মিটার নামীয় গ্রাহকের ভাইপো সোলায়মান বলেন, “বিলের কাগজ পেয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। এলাকাজুড়ে হৈচৈ শুরু হয়। শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ বিলের কাগজ হাতে দেয় পল্লী বিদ্যুতের বিল বিতরণকারী। বিষয়টি জানাজানি হলে বিল বিতরণকারী পুনরায় এসে বিলের কাগজ নিয়ে সটকে পড়ে। এসময় তার নাম জানা যায়নি। এরকম বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহক হয়রানির শিকার হয়।”

এদিকে, একই এলাকার আরও কয়েকজন গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল বেশি আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ঐ এলাকার মিটার গ্রাহক নজরুল ইসলামের মেয়ে বলেন, “আমার নতুন মিটারেও বিল বেশি এসেছে।”

এমন ‘ভুতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল দেখে এলাকার সচেতন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, ভুল বিলের কারণে তাদের হয়রানি ও দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

এ বিষয়ে সাঘাটার বোনারপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মারফত অবগত হয়েছি। মিটারটি নতুন দেওয়া হয়েছে ওই গ্রাহককে। পূর্বের গ্রাহকের হিসাব অনুযায়ী বিল তোলা হয়েছে মনে হচ্ছে। অফিস খুললেই বিষয়টি দেখা হবে।”