বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ প্রকাশ: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ

ঘটনার ১৩ বছর পর যশোরে সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

ঘটনার ১৩ বছর পর যশোরে সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা

জেমস আব্দুর রহিম রানা, যশোর থেকে :
যশোর জেলা কৃষক দলের সাবেক সহসভাপতি ও শহরের ঘোপ জেলরোড এলাকার বাসিন্দা নূরনবীকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে এবং পায়ের রগ কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। ঘটনার প্রায় ১৩ বছর পর গতকাল রোববার (২৩ আগস্ট ) নূরনবী বাদী হয়ে যশোরের আদালতে মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগটি তদন্ত করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় শাহীন চাকলাদার ছাড়াও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তহিদুর রহমান ওরফে ফন্টু চাকলাদার, সাবেক পৌর মেয়র রেন্টু চাকলাদার, শফি ওরফে পাইপ শফি, কালাম, রুবেল ও রিন্টুর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মামলার বর্ণনায় আটজন আসামি বলা হলেও সাতজনের নাম পাওয়া গেছে।

মামলার এজাহারে নূরনবী অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালের ১৩ জুলাই রাত সাড়ে সাতটার দিকে তহিদুর রহমান ওরফে ফন্টু চাকলাদার তাঁকে ফোন করে জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের কাঁঠালতলার কার্যালয়ে যেতে বলেন। সেখানে পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি অস্ত্রের মুখে তাঁকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁর মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, পরে শাহীন চাকলাদারসহ কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হয়ে নূরনবীকে গালিগালাজ করেন এবং তাঁকে হত্যার নির্দেশ দেন। এরপর আসামিরা তাঁকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যান। এ সময় তাঁর মুঠোফোন ও পকেটে থাকা ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন নূরনবীকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নূরনবীর অভিযোগ, আসামিদের ভয়ভীতি ও প্রভাবের কারণে এতদিন তিনি মামলা করতে পারেননি। বর্তমানে পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় তিনি আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

মামলার অভিযোগের বিষয়ে শাহীন চাকলাদারসহ অভিযুক্ত অন্যদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।