মিরপুরের আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলামকে মারধর ও বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনায় সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক কিরণময় দত্তসহ হামলায় জড়িতদের শোকজ করা হয়েছে।
নথি অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষককে অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির ২ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে ১৪ জন শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার নেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয় যে, কিরণময় দত্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে যুক্ত করতে মৌখিক ও লিখিত নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কিরণময় দত্তের বিরুদ্ধে একাধিক শোকজ নোটিশ দেয়া হয়েছিল। তিনি ৫ জুলাই পদত্যাগপত্র দেন এবং ৩১ জুলাই স্কুল ম্যানেজিং কমিটি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে যে, পদত্যাগের পরও বিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয় এবং কিরণময় দত্তের পুনর্বহালের চেষ্টা করা হয়। ১৬ আগস্ট হামলার সময় জোর করে একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর নেয়া হয়, যেখানে কিরণময় দত্তকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য অফিসকক্ষে বসিয়ে দেয়ার কথা উল্লেখ ছিল।

