বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ প্রকাশ: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে বিএফআইইউর নতুন নির্দেশনা

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে বিএফআইইউর নতুন নির্দেশনা

মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনো হিসাব স্থগিতের নির্দেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অন্য হিসাবগুলোর তথ্য ও স্থিতি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে (বিএফআইইউ) জানাতে হবে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিএফআইইউর পক্ষ থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

বিএফআইইউর পরিচালক এ কে এম গোলাম মাহমুদ স্বাক্ষরিত সার্কুলার লেটার নং-৫-এ দেশের সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাকে নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিটি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর আওতাভুক্ত সব রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৌঁছেছে।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর ২৬(৪) বিধি অনুযায়ী, কোনো হিসাব স্থগিতের আদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ওই হিসাবের স্থিতির পাশাপাশি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের তথ্যও অবিলম্বে বিএফআইইউকে জানাতে হবে।

এ নির্দেশনার ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাব স্থগিত হলে একই ব্যাংক কিংবা অন্য রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থায় থাকা সংশ্লিষ্ট হিসাব শনাক্ত করা সহজ হবে। এতে এসব হিসাবের লেনদেন ও অর্থের গতিপথ পর্যবেক্ষণের সুযোগও বাড়বে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্দেহজনক লেনদেন কিংবা মানিলন্ডারিংয়ের অর্থ অনেক সময় একাধিক হিসাবে স্থানান্তর করে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। এ নির্দেশনার মাধ্যমে অর্থের গতিপথ অনুসরণ এবং সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা সহজ হবে, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করবে।

এ নির্দেশনা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩(১)(ঘ) ধারা এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ১৫(১)(ঘ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে।