সোমালিয়া উপকূলে আটজন সশস্ত্র দস্যু একটি বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজ দখল করে নিয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো। সোমবার (১৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা এএফপি ও রয়টার্সের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডয়চে ভেলে।
ইউকে মেরিন ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এবং ইইউ মেরিন সিকিউরিটি সেন্টার ইন্ডিয়ান ওশান (এমএসসিআইও) সতর্কবার্তা জারি করে জানায়, আফ্রিকার শিঙে বা হর্ন অব আফ্রিকাতে আটজন সশস্ত্র ব্যক্তি জাহাজটিতে উঠে পড়ে।
ইউকেএমটিও আশেপাশের অন্য নৌযানগুলোকে সতর্কতার সাথে চলাচল করতে এবং যেকোনো সন্দেহজনক আচরণ রিপোর্ট করার আহ্বান জানিয়েছে। এমএসসিআইও নিশ্চিত করেছে, বর্তমানে জাহাজের ক্রুরা নিরাপদে রয়েছেন।
দুই হাজার সালের পর সোমালীয় উপকূলে জলদস্যুতা বৃদ্ধি পেয়ে ২০১১ সালে চূড়ায় পৌঁছালেও পরবর্তী সময়ে তা কমে এসেছিল। তবে ২০২৬ সালে জলদস্যুতা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বেশ কয়েকটি জাহাজ তাদের দখলে গেছে।
চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে সার ও তেল বহনকারী তিনটি ট্যাংকার এবং জুলাই মাসে ইয়েমেন উপকূলে একটি রাসায়নিক ট্যাংকার দস্যুরা দখল করে, যেগুলোর সবগুলোকেই বর্তমানে সোমালিয়া উপকূলে আটকে রাখা হয়েছে।
লোহিত সাগরে হুথি আক্রমণ এবং হরমুজ প্রণালির সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক নৌ পরিবহন খাত আগে থেকেই সংকটে রয়েছে, এর মধ্যে আফ্রিকার শিঙে জলদস্যুতার প্রত্যাবর্তন শিপিং কোম্পানিগুলোর জন্য অনিশ্চয়তা বাড়াল।
সূত্র: ডয়চে ভেলে

