মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ইলিশের উৎপাদন ও বিচরণে দূষণ একটি বড় বাধা। তিনি জানান, ইলিশ একটি সংবেদনশীল মাছ এবং নির্দিষ্ট সময়ে সমুদ্র থেকে মিঠা পানির সংস্পর্শে আসে। নদীর পানিতে দূষণ বেড়ে গেলে ইলিশ ওই এলাকা থেকে সরে যেতে থাকে।
মন্ত্রী মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) স্থানীয় স্ট্রেইন থেকে উদ্ভাবিত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও গোট পক্স ভ্যাকসিন সিড প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন ও স্বাদ ধরে রাখতে নদী পুনঃখনন, পানির প্রবাহ বাড়ানো, জাটকা নিধন বন্ধ এবং কারেন্ট জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধে সরকার জোর দিচ্ছে। জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ইলিশের বিচরণ ও উৎপাদন বাড়াতে নদীগুলোর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক ও শক্তিশালী করা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে প্রধান নদীগুলোতে প্রয়োজনীয় ড্রেজিং হয়নি এবং সরকার ইতোমধ্যে এসব নদী খননের প্রস্তাব দিয়েছে।
মন্ত্রী জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধের বিষয়ে বলেন, এ সময়ে জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়। তবে, তাদের জীবনযাত্রা টেকসই করতে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।

