বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: আগস্ট ৮, ২০২৬, ৫:০৬ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ

পাকিস্তানে সামরিক সরকারের অনুগত নাগরিকের সংখ্যা কমছে: বিশ্লেষক

পাকিস্তানে সামরিক সরকারের অনুগত নাগরিকের সংখ্যা কমছে: বিশ্লেষক

পাকিস্তানের সামরিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে দেশটিকে ‘অনুগত’ ও ‘বিপজ্জনক’ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করে শাসন করছে বলে মন্তব্য করেছেন মিডল ইস্ট মনিটরের বিশ্লেষক জুনায়েদ এস আহমেদ। তার বিশ্লেষণাত্মক নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান সামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা অনুগত নাগরিকের সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাওয়ালপিন্ডি, মুজাফফরাবাদসহ পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে বিদ্যুৎ বিলের বৃদ্ধি, বেকারত্ব, নিত্যপণ্যের দাম এবং নির্বাচনী কারচুপির বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে উঠেছে।

এই অস্থিতিশীলতা দমন করতে প্রশাসন জয়েন্ট অ্যাওয়ামী অ্যাকশন কমিটিকে নিষিদ্ধ করেছে, নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করেছে এবং সেনা মোতায়েন করে নির্বাচন পরিচালনা করছে। আল জাজিরার ওয়েবসাইটে প্রবেশাধিকারও সীমিত করা হয়েছে।

নিবন্ধে আরও বলা হয়, কাশ্মীরে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে পাকিস্তান সবসময় বীরত্বপূর্ণ হিসেবে উপস্থাপন করলেও নিজেদের স্বাধিকারের দাবিকে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে। বেলুচ, পশতু বা ইমরান খানের সমর্থকদের রাজনৈতিক দাবিকেও রাষ্ট্রদ্রোহিতা বা সন্ত্রাসবাদের ট্যাগ দিয়ে দমন করা হচ্ছে।

ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে বর্তমান সামরিক ব্যবস্থা অভ্যন্তরীণ বৈধতার পরিবর্তে বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর ভর করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে কারাগারে বন্দি রাখা হলেও সামরিক শক্তি দিয়ে নাগরিকদের আনুগত্য জোরপূর্বক আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে।