বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: আগস্ট ৩, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ

বকশীগঞ্জে সালিশের নামে জিম্মি করে মারধর, টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

বকশীগঞ্জে সালিশের নামে জিম্মি করে মারধর, টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

মোহাম্মদ আসাদ :

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য অনুষ্ঠিত সালিশে এক নারী ও তার পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে মারধর এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোছা. বিনা বেগম বকশীগঞ্জ থানায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার টুপকারচর সরদারপাড়া এলাকায় রশিদের বাড়িতে জমি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে বিরোধপূর্ণ জমি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে বাদীপক্ষ ওই টাকা নিয়ে সালিশে উপস্থিত হলে আসামিরা পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে হামলা চালায়। এ সময় বাদীর মামা আলাল উদ্দিনকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে জোরপূর্বক নগদ ৪ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি বাদীর গলা থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইনও কেড়ে নেওয়া হয়। এ ছাড়া বাদী নিজে এবং তার দুই ছেলে বিজয় মিয়া ও হৃদয় মিয়াকে বেঁধে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে। পরে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগে যাদের আসামি করা হয়েছে তাড়া হলেন, শামসুল হক, মো. রশিদ, মোছা. সোনেহারা বেগম, নুরেদা বেগম, মনি মিয়া, আমেলা বেগম, ছামিল বেগম, শামসু মিয়া, আমিল বেগম, ইয়ানুজ আলী, নুরুল হক, চাম্পুলি বেগম, ইতি মনি ও শহিদুর রহমান। তাদের সবার বাড়ি একই এলাকার টুপকারচর সরদারপাড়া গ্রামে।

ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে।