বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটি শূন্য হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে ৯০ দিনের মধ্যে। সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার তারিখ থেকে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য প্রার্থী হতে হলে সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য জাতীয় সংসদের একজন সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজন সদস্যকে সমর্থক হতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ জনগণ ভোট দিতে পারেন না; কেবল জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যরাই ভোটার হিসেবে অংশ নেন। একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদ ভবনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে। যদি একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী থাকেন, তবে রিটার্নিং অফিসার তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন।

