কক্সবাজারের উখিয়ার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আব্দুল হাফেজ নামের এক যুবক হত্যার ঘটনায় ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন) ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পর মরদেহ গুম করতে একটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল।
৮ এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বুধবার (২২ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে এবং গ্রেপ্তারদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র জানায়, গত ২২ জুন রাতে আব্দুল হাফেজ (২০) বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা দেখতে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন তার নিখোঁজ হওয়ার খবর জানালে ৮ এপিবিএন তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে ২২ জুন রাতে ক্যাম্প-১৫-এর ব্লক-এইচ/৭ এলাকায় মোহাম্মদ রফিক (২২) নামের এক ব্যক্তির শেডসংলগ্ন সেপটিক ট্যাংক থেকে আব্দুল হাফেজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বড় ভাই মো. জমিনুর রহমান বাদী হয়ে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। ৮ এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক বলেন, ক্যাম্প এলাকায় অপরাধ দমন ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

