বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রিন্ট: জুলাই ২৪, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রকাশ: জুলাই ২২, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ

যন্তর মন্তরে ফিরে এলেন আটক হওয়া আন্দোলনকারীরা

যন্তর মন্তরে ফিরে এলেন আটক হওয়া আন্দোলনকারীরা

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে চলা আন্দোলনে আটক হওয়া বিক্ষোভকারীরা মুক্তি পাওয়ার পর আবার আন্দোলনস্থলে ফিরে এসেছেন। সোমবার পুলিশের লাঠিচার্জ ও আটকের ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে অনেকেই থানা থেকে ছাড়া পেয়ে সরাসরি যন্তর মন্তরে ফিরে যান।

দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী কৃষ্ণা, যিনি অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন, সোমবার যন্তর মন্তর থেকে আটক হন। তিনি অভিযোগ করেন, আটক হওয়ার সময় নারী পুলিশ সদস্যরা তার চুল ধরে টানাহেঁচড়া করেছেন। কৃষ্ণা বলেন, "আমি আগে ভাবতাম পুলিশ মানুষকে সুরক্ষা দেয়, কিন্তু সোমবার তারা আমার চুল ধরে টেনেছে।"

২১ বছর বয়সী সমীর দোরওয়াল, যিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তলস্তয় রোড থেকে আটক হওয়ার পর মন্দির মার্গ থানায় রাত কাটান। তিনি বলেন, "মা-বাবাকে বলেছিলাম বন্ধুর বাড়িতে আছি। তারা এখনো জানেন না আমাকে আটক করা হয়েছিল।" সমীর পাঁচ হাজার টাকার বন্ডে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন এবং আগামী আগস্টে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির হতে হবে।

২২ বছর বয়সী সিদ্ধার্থ, আইপি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন শিক্ষার্থী, জানান, পুলিশ যখন তাকে ধরে, তখন তিনি খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে থানায় পুলিশ তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আলিগড় থেকে আসা ৩৮ বছর বয়সী সীমা যাদব ও তার ১৬ বছর বয়সী মেয়ে কৃষ্ণাও সোমবার আটক হন। সীমা জানান, পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করে আলাদা করে দেন এবং তিনি প্রায় এক কিলোমিটার টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। মা-মেয়ে এখন আবার যন্তর মন্তরে ফিরে এসে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যন্তর মন্তরে উল্লাসধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে যখন ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ঘোষণা করেন যে সোমবার আটক সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষও যোগ দিচ্ছেন। বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে চলেছেন।