২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সমাপ্তি ঘটেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হয়েছে রেকর্ড ১৫২০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা।
বিশ্বকাপের ১০৪ ম্যাচে চোখধাঁধানো স্টেডিয়াম এবং নতুন ফরম্যাটের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেছে। তবে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং রেফারিং সিদ্ধান্তের সমালোচনা সত্ত্বেও ফিফার ব্যবসায়িক সাফল্য অব্যাহত ছিল।
ফিফা জানিয়েছে, এই বিপুল আয়ের একটি বড় অংশ বিশ্বজুড়ে ফুটবলের কাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে, যা ফুটবলের ‘পিরামিডে’ ফিরে যাবে।
২০২৬ বিশ্বকাপের আয় আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ থেকে আয় হয়েছিল ৭৬০ কোটি ডলার, যা এবার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে আয় ছিল ৫৫০ কোটি ডলার।
বিশ্বকাপের আয় দ্বিগুণ হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল টুর্নামেন্টের সম্প্রসারণ। এবার ৪৮ দল অংশগ্রহণ করেছে, ফলে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ ভোক্তা বাজার এবং বিনোদন শিল্পের শক্তিশালী কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বকাপকে ঘিরে বাণিজ্যিক আগ্রহ ছিল নজিরবিহীন।

