বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এর ফলে এখন স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজ করার কোনো তহবিল নেই। এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই।
রোবরার সংসদের অধিবেশনে ৭১ বিধিতে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে গাইবান্ধা-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শামীম কায়সার ‘গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণে’ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন। জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যে লুটপাট স্বাস্থ্য খাতে হয়েছে, যে ধরনের অব্যবস্থাপনা হয়েছে, তাতে কোথাও চলমান প্রকল্পে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। ২৫০ শয্যার হাসপাতালগুলো নির্মাণাধীন। সেগুলোর প্রকৌশলীর পরিকল্পনায় প্রবেশপথ যেদিকে, সেখানে বাথরুম করে রেখেছে। সেখানে মানুষ ঢুকতে পারবে না ময়লার গন্ধে। তড়িঘড়ি করে টাকা কামানোর লক্ষ্যে দুর্বল পরিকল্পনার মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছিল। লুটপাট করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজে যাওয়ার মতো কোনো তহবিল নেই। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ, ব্যান্ডেজ, সিরিঞ্জ কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই। সব শেষ করে গেছে। এমনকি বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও যা কিছু ছিল, তা নিঃশেষ হয়ে গেছে। দেশের এ অবস্থা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই-তিন দফা আলোচনা করেছি। আগামী বাজেটের পর পর্যায়ক্রমে সীমিত সম্পদের মধ্য থেকে সব উপজেলায় জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে যতটুকু প্রয়োজন, আমরা ততটুকু করব।