সূত্র: আনালোদু এজেন্সি
মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের আশঙ্কায় কাতার ও বাহরাইনের প্রধান সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে শত শত মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিউইয়র্ক টাইমস পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটি থেকে কয়েকশ সেনাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিট বাহরাইনে অবস্থিত, সেখান থেকেও বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন সেনারা এখনো অবস্থান করছেন।
ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপকে একটি আগাম ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তেহরান পাল্টা জবাব হিসেবে ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি মিশনের প্রধান স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি ইরান আক্রান্ত হয়, তবে ওই অঞ্চলে শত্রু বাহিনীর সকল ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।
এর ফলে সৃষ্ট যেকোনো অপ্রত্যাশিত এবং অনিয়ন্ত্রিত পরিণতির জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।
উল্লেখ্য, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি। এখানে সাধারণত ১০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করে এবং এটি এ অঞ্চলে মার্কিন বিমান অভিযানের মূল কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।