ঢাকা,শনিবার, ২৯ Jul ২০১৭, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন ঢাকা,সোমবার, ১৭ Jul ২০১৭, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ছাত্রজীবনই হচ্ছে সততা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার উৎকৃষ্ট সময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএম রুহুল আমিন রিমন
     

মনিরুল ইসলাম মনিরঃ চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বিক্রেতাবিহীন ‘সততা স্টোর’ চালু করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নির্দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক শিক্ষা চর্চার লক্ষ্যে পরীক্ষামূলকভাবে দোকানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিএম রুহুল আমিন রিমন বলেন, জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সততা। আর এই সততার ভিত গড়ে ওঠে ছাত্রজীবনেই। ছাত্রজীবন থেকে যথাযথভাবে সততা চর্চা হলে কোন শিক্ষার্থী কর্মজীবনে কোন প্রকার অনিয়ম কিংবা দুর্নীতিতে জড়াতে পারবে না। আবার সততা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। তাই শিক্ষার্থীদের সততা চর্চার কোন বিকল্প নেই। ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে চালু হওয়া এই সততা স্টোর একটা প্রতীকী মাত্র। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সততা চর্চা করবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রমান্বয়ে সততা স্টোর চালু করা হবে।সোমবার দুপুরে ‘সততা ষ্টোর’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিএম রুহুল আমিন রিমন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন-সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম, মতলব উত্তর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ওমর ফারুক, ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপাপ্ত) বেনজির আহমেদ, মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুব আলম লাভলু, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. মতিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডলার, ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবদুল হক, গোলাম সারোয়ার, নূর মোহাম্মদ, আয়েত আলী, শাহিন বেপারী, মাওলানা কবির আহমেদ, আবুল কালাম প্রমুখ।দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশে ইতোমধ্যে দুর্নীতি প্রতিরোধে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সততা, নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশবাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে সততা সংঘ গঠিত হয়েছে।‘সততা স্টোর’ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত সততা স্টোরে কোনো বিক্রেতা থাকবে না। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও অন্য জিনিসপত্র সাধারণ দোকানের মতো এখানে সাজানো থাকবে। প্রতিটি জিনিসের একটি মূল্য তালিকা টাঙানো থাকবে সেখানে। শিক্ষার্থীরা তার প্রয়োজনীয় জিনিসটি নিয়ে সততা স্টোরের রেজিস্ট্রারে তা লিপিবদ্ধ করে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করবে। জিনিসপত্রের মূল্য পরিশোধের জন্য সততা স্টোরে একটি ক্যাশবাক্সও রক্ষিত থাকবে। প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ স্টোরের জিনিসপত্রের বিক্রির হিসাব-নিকাশ করবে।সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিএম রুহুল আমিন রিমন বলেন, সৎ, নিষ্ঠাবান, ন্যায়পরায়ণ ও সমাজসচেতন ব্যক্তিজীবন গঠন করতে সততার ভিত্তিতে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের সৎ হতে বিদ্যালয়ে স্থাপিত সততা স্টোর থেকে শিক্ষাসামগ্রী ক্রয় করে নিজের সততা প্রতিষ্ঠা এবং ভবিষ্যতে সৎ মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *