ঢাকা,সোমবার, ২৪ Jul ২০১৭, ১২:৩৫ অপরাহ্ন ঢাকা,মঙ্গলবার, ২৭ Jun ২০১৭, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
মানচিত্রের দাম ৬ কোটি টাকা!
     

সাধারণ কাগজে পেনসিল ও কলমের কালিতে আঁকা একটি মানচিত্র। দেখতে আহামরি কিছু নয়। নেহাত কয়েক ফুট লম্বা। অথচ এই মানচিত্রটিই নিলামে বিক্রি হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকায়। কারণ, এটি ওয়াল্ট ডিজনি ও হার্ব রাইমেনের আঁকা ডিজনিল্যান্ডের প্রথম মানচিত্র।

বিনোদন পার্ক হিসেবে বিশ্বজুড়ে আলাদা কদর রয়েছে ডিজনিল্যান্ডের। ১৯৫৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, এক ছুটির দিনে ডিজনিল্যান্ডের স্বপ্নদ্রষ্টা ওয়াল্ট ডিজনি ও তাঁর বন্ধু হার্ব রাইমেন এই মানচিত্রটি এঁকেছিলেন। তাতেই ফুটে উঠেছিল ডিজনির থিমপার্ক বানানোর স্বপ্ন। সম্প্রতি সেই মানচিত্রটি নিলামে তুলেছিল যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ভন ইটন গ্যালারি। তাতে ৭ লাখ ৮ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে মানচিত্রটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এটি দাঁড়ায় প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা!

পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, ডিজনিল্যান্ড নির্মাণের তহবিল জোগাড়ের জন্য এ মানচিত্রটি এঁকেছিলেন ওয়াল্ট ডিজনি। মানচিত্রটিতে এমন অনেক বিষয় আছে, যেগুলো কখনো বাস্তবে রূপ পায়নি। যেমন, আসল মানচিত্রে ‘লিলিপুটিয়ান ল্যান্ড’ বলে একটি জায়গার উল্লেখ আছে। কিন্তু এটি এখনো ডিজনির কোনো থিমপার্কে চোখে পড়েনি। আবার আসল মানচিত্রে ‘রূপকথার দুর্গটি’ রাখা হয়েছে পার্কের এক প্রান্তে। কিন্তু এখনকার ডিজনিল্যান্ডে গেলে পার্কের ঠিক মাঝখানেই দেখা মিলবে এই দুর্গের।

মানচিত্রটি কাছ থেকে দেখলে বোঝা যাচ্ছে, এটি বেশ তড়িঘড়ি করে আঁকা। রন ক্লার্ক নামের এক ব্যক্তি ৪০ বছর আগে এটি কিনেছিলেন। তাঁর কাছে এটি বিক্রি করেছিলেন ডিজনি কোম্পানির সাবেক কর্মী গ্রেন্যাড কারান। ১৯৫৫ সালে ওয়াল্ট ডিজনির ব্যক্তিগত অফিসকক্ষের এক কোনায় এটি খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি। বিবিসিকে গ্রেন্যাড বলেছেন, তখনই মানচিত্রটি নিজের হস্তগত করেন তিনি। কারণ, থিম পার্কটি কেমন হবে, তার প্রথম স্কেচ ছিল এটি।

ভন ইটন গ্যালারির মালিক মাইক ইটন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ডিজনিল্যান্ডের যতগুলো মানচিত্র বিক্রি হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে দামি। এটি যে এত দিন টিকে ছিল, সেটিই বিস্ময়ের।’

এখন পর্যন্ত ডিজনিল্যান্ড-সংশ্লিষ্ট এক হাজারের বেশি জিনিস নিলামে বিক্রি হয়েছে।

Comments are closed.